হৃদরোগ প্রতিরোধ ও সুস্থতা: এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখে, কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে এবং হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায় ।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও শক্তি বৃদ্ধি: এটি ইমিউন সিস্টেম বা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে। এতে থাকা প্রাকৃতিক চিনি (ফ্লুক্টোজ, গ্লুকোজ) শরীরকে দ্রুত শক্তি যোগায় ।
হজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর: উচ্চ ফাইবার সমৃদ্ধ হওয়ায় এটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে এবং হজমপ্রক্রিয়া উন্নত করে ।
হাড় ও পেশি মজবুত করা: ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও ফসফরাস থাকায় এটি হাড়ের ঘনত্ব বাড়ায় এবং জয়েন্টের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে ।
গর্ভাবস্থায় উপকারিতা: অন্তঃসত্ত্বা নারীদের জন্য এটি অত্যন্ত উপকারি। এটি প্রসবের সময় জরায়ুর পেশি সংকোচনে সহায়তা করে এবং প্রসব-পরবর্তী রক্তক্ষরণ কমাতে পারে ।
ক্যান্সার ও বিষ প্রতিরোধ: নিয়মিত এই খেজুর সেবন ফুসফুস ও মুখগহ্বরের ক্যান্সার রোধে সাহায্য করে। হাদিস অনুযায়ী, প্রতিদিন সকালে ৭টি আজওয়া খেজুর খেলে যাদু ও বিষের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষা পাওয়া যায় ।
রক্তস্বল্পতা দূর: আয়রনের ভালো উৎস হওয়ায় এটি রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া দূর করতে সাহায্য করে [২]।
দ্রুত শক্তি ও ক্লান্তি দূর: এতে থাকা প্রাকৃতিক চিনি (গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ) শরীরকে তাৎক্ষণিক শক্তি জোগায়, যা রোজাদার বা ক্লান্ত শরীরে এনার্জি বাড়াতে অত্যন্ত কার্যকর ।
রক্তস্বল্পতা দূরীকরণ: প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকায় এটি শরীরের আয়রনের চাহিদা মেটায় এবং রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ করে ।
হজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর: উচ্চ মাত্রার ফাইবার হজমশক্তি বাড়ায় এবং পেট পরিষ্কার রাখতে সহায়তা করে ।
হৃদরোগ ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ: অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফাইবার কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রেখে হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখে ।
হাড় ও দাঁত মজবুত: ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ হওয়ায় এটি হাড় ও দাঁতের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী ।
দৃষ্টিশক্তি ও স্নায়ুবিক শক্তি: এতে থাকা ভিটামিন এ এবং সি দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে এবং স্নায়ুবিক শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে ।
ডায়াবেটিস ও ওজন নিয়ন্ত্রণ: এতে প্রাকৃতিক মিষ্টি থাকলেও লো গ্লাইসেমিক ইনডেক্স থাকার কারণে পরিমিত সেবনে ওজন হ্রাস এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব ।